• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মাদকের মামলার অপরাধীরা বেঁচে যায়

আদালতসিসি ডেস্ক : মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারনে মাদকদ্রব্য বিষয়ক মামলাগুলো দুর্বল হয়ে যায়। যার ফলে আসামীরা খালাস পেয়ে যায়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলেন, বিগত ১৫ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায় খারাসপ্রাপ্ত আসামীর চেয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামীর সংখ্যা অনেক কম। ২০০১ সালের পরবর্তী তথ্যে দেখা যায়, ৩৫ হাজার ১০ জন আসামী এসময় খালাস পায়। পক্ষান্তরে এ সময় ১৮ হাজার আসামী মাত্র সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা বলেন, বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা, স্বাক্ষীর অভাব, অধিদপ্তরের লোকবলের স¦ল্পতা, মামলা দায়েরের পদ্ধতিগত ত্রুটি, নারী ও শিশুদের মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত করার কারনে বিচারক অনেক সময় কঠোর পদক্ষেপমূলক সিদ্বান্ত গ্রহণ করতে পারেন না।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০১ সার থেকে ২০১৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত আদালতে ৩৩ হাজার ৭৪৩টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। যার মধ্যে ১৭ হাজার ১৫৩ জন সাজা লাভ করে এবং ১৭ হাজার ৭৪৩ জন খালাস প্রাপ্ত হয়। অধিদপ্তরের ঢাকা এলাকার অতিরিক্ত পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বলেন, মামলার বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াও নানাবিধ কারনে অপরাধীদের শাস্তি দেয়া যায় না। মামলা দায়ের সংক্রান্ত ত্রুটি, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারনে আসামীরা খালাস পেয়ে থাকে।
একটি গবেষনায় জানা যায়, দেশের প্রায় এক লাখ লোক অবৈধ মাদক ব্যবসা ও পাচারের সাথে জড়িত। অপরদিকে গ্রেপ্তার এড়াতে মাদক ব্যবসা ও পাচারের সাথে নারী ও শিশুদেরকে সম্পকৃত করা হয়। বাংলাদেশ আইসিডিডিআরবির তথ্য মতে রাজধানী ঢাকাতে ৭৯ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ দশমিক ৬ শতাংশ নারী মাদক গ্রহন করে থাকে। মাদক দ্রব্যে আসক্তদের গড় বয়স ২২ বছর। ছাত্র-ছাত্রীরা মাদকাসক্তের শিকার হয়ে থাকে। এর ফলে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত হ্রাস পায় ও লেখা পড়ায় বিঘœ ঘটে।
সাম্প্রতিক এক প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, ৬০ ভাগ পথশিশু তাদের মাত্র ১৩ বছর বয়সে মাদক গ্রহন করে থাকে। এসব আসক্ত শিশুদের জন্য কোন বিশেষ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে নি। ২০০২-২০০৩ সালের বেসলাইন জরিপে জানা যায়, ১১ থেকে ১৪ বছরের বয়সের শিশুরা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এছাড়া তারা বাণিজ্যিক যৌনকর্মী হিসাবে কাজ করে। এসব শিশুদের মধ্যে শতকরা অন্তত ২ ভাগ মাদক গ্রহন করে থাকে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ